ফেসবুক-নেশা ও আমাদের করণীয়

মাওলানা জুনাইদ কিয়ামপুরী
কালমার্কস ধর্মকে বলেছেন ‘আফিমের মতো’। তাঁর এ কথাটা কতটা সত্য; আমি সেদিকে যাচ্ছি না। তবে বর্তমানে গোটা পৃথিবীর মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যে নেশায় বুঁদ হয়ে আছে, তা হচ্ছে ‘ফেসবুক’। কালমার্কস বেঁচে থাকলে হয়তো এখন বলতেন, ফেসবুক হচ্ছে আফিমের মতো। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল­্লাম-এর হাদিস থেকে জানা যায়, কিয়ামতের একটি আলামত হচ্ছে- ‘দূরত্ব কমে যাওয়া’। দূরত্ব কমে যাওয়া দু’ভাবে হতে পারে। এক. যোগাযোগ ব্যবস্থার এতো উন্নতি হবে যে, বছরখানিক সময়ের পথ কয়েক ঘণ্টায় পাড়ি দেয়া যাবে। দুই. সংবাদ ব্যবস্থার এতো উন্নতি সাধিত হবে যে, মুহূর্তের মধ্যে এক প্রান্থের সংবাদ আরেক প্রান্থে পৌঁছে যাবে। একটা সময় এমন ছিলো যে, একটা চিঠি এক শহর থেকে অন্য শহরে পৌঁছাতে কয়েক দিন লেগে যেতো। তখনকার সময়ে পত্রবাহনের দ্রুততম উপকরণ ছিলো দু’টো; পায়ের পথে- অশ্ব বা ঘোড়া, উড়াল পথে- কবুতর বা পায়রা। তবুও ঘোড়ার মাধ্যমে পাঠানো চিঠি নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছতে সময় যেত প্রায় মাসখানিক। আর কবুতরের ওড়ার জন্য সীমানা ছিলো নির্ধারিত। অধিকন্তু বহনের চিঠি থাকত খুব সংক্ষিপ্ত। ফলে হৃদয়কোণে জমে থাকা সবগুলো কথা কাঙ্খিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো সম্ভব হতো না। কিন্তু আজ-কালকার যুগে টেলিগ্রাম, টেলিফোন, টিভি, রেডিও এবং মোবাইলের আবিষ্কার সংবাদ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অভিনব বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। সহজ থেকে সহজতর করে দিয়েছে বার্তাপ্রেরণের সুযোগ। গোটা পৃথিবী হয়ে পড়েছে একটা গ্রামের মতো। বাংলাদেশের একটা নিভৃতপল­ীতে বসে সুদূর আমেরিকা বা কানাডার যে-কোনো শহরে অনায়াসে পৌঁছে দিচ্ছে যে-কোনো সংবাদ। ইন্টারনেট, ফেসবুক-সুবিধা এর মধ্যে এনেছে নতুনমাত্রা। ফলে কয়েক মিনিটে গোটা পৃথিবী ঘুড়ে বেড়ানো এখন অতিস্বাভাবিক। 

আল্লাহ তা’য়ালা মানুষকে যে মেধা দিয়েছেন, জ্ঞান-গবেষণার যে ক্ষমতা দিয়েছেন, জ্ঞানোৎকর্ষের পথ ও পন্থা যেভাবে সহজ করে দিয়েছেন, তা কাজে লাগিয়ে মানুষ কতো কী আবিষ্কার করছে! যা-দেখে ফেরেশতারাও হয় তো বিস্মিত হচ্ছেন।

মনে রাখতে হবে, ইন্টরনেট এমন একটা আবিষ্কার; এটাকে সঠিক-সুন্দর ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যবহার না করলে ব্যক্তি তলিয়ে যেতে পারে অন্ধকারের অতল গহŸরে। আবার এর যথাযথ ব্যবহার ব্যক্তিক ও ব্যাষ্টিক ক্ষেত্রে নিয়ে আসতে পারে চরম উন্নতি ও অসাধারণ কল্যাণ। সৃষ্টি করতে পারে উন্নত রুচিবোধ, কল্যাণমুখর ভাবনা। 


বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মাধ্যম হচ্ছে ‘ফেসবুক’। এই ফেসবুক এতোই জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে যে, বর্তমানে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দুইশো কোটিরও উপরে। বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ওয়েবসাইট এখন ফেসবুক। এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এটা প্রতিষ্ঠা করেন। এর সমস্ত নির্দেশনা কর্মকৌশল তিনিই প্রথম তৈরি করেন। মার্ক জুকারবার্গ যথন আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তখন তিনি ছাত্রদের পড়ালেখায় সহায়তার জন্য ‘কোর্সম্যাচ’ নামে একটা সফটওয়ার তৈরি করেন। এর পরে তৈরি করেন ‘ফেসমাস নামে’ আরেকটি সফটওয়ার। এরপর শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ ও তাদের তথ্য ছাত্রদের সংরক্ষণের স্বার্থে তাদের ছবি সম্বলিত একটি ওয়েবসাইট খুলেন। খোলার সাথে সাথে ২৪ ঘণ্টার ভেতরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২০০ ছাত্র এর অন্তর্ভূক্তিতে চলে আসে। পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও এর অন্তর্ভূক্ত হতে থাকে। এভাবেই জন্ম নেয় জনপ্রিয় সাইট ফেসবুক।

ফেসবুক যারা ব্যবহার করেন, তাদের প্রোফাইলে বিভিন্ন ধরণের ছবি, ভিডিও এবং যে কোনো ধরণের তথ্য সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। রয়েছে চ্যাটিং ও ম্যাসেজিং-এর সুযোগ। এ ছাড়াও প্রত্যেকের প্রোফাইলে রয়েছে ‘ওয়াল’ নামক অনুভাষ্য লেখার সুযোগ। যেখানে সবাই মন্তব্য প্রেরণ করতে পারে। ফেসবুক ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদানের নিমিত্ত প্রতিষ্ঠা হলেও এখন বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। জ্ঞানচর্চা, সাহিত্যচর্চা ও উন্নতচিন্তার প্রচার-প্রসারে অবদান রাখছে ফেসবুক। এমনকি বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে যে কোনো ধরণের প্রচার-প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, গণতান্ত্রিক আন্দোলন চাঙ্গা করতে এই ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। মিশরে ‘খালিদ সাঈদ’ নামক এক ব্যক্তিকে পুলিশ হত্যা করে। এটাকে ভিত্তি করে সে দেশের একজন ইঞ্জিনিয়ার کلنا خالد سعيد নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলেন। সাথে-সাথে গোটা দেশে সাড়া পড়ে যায়। গণতন্ত্রকামী মানুষ এর সাথে যুক্ত হতে থাকে। ফেসবুকের এই প্রচারণা শেষ পর্যন্ত মিশরে বিপ্লব ঘটাতে অসাধারণ অবদান রাখে। 

ভালো ও কল্যাণকর কাজের প্রচারণায়, সভ্যতার বিনির্মাণে ফেসবুক একটা উত্তম মাধ্যম। যদি কেবল এ উদ্দেশ্যেই ফেসবুকিং কার্যক্রম চলত, তবে তা ছিল দারুণ উপকরী। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই যে, কিছু বিপথগামী লোক এটাকে চারিত্রিক বিপর্যয়, বেহায়াপনার প্রচার ও অশ্লীলতার কাজে ব্যবহার করছে। ফলে সামাজিক এ-যোগাযোগ মাধ্যমটি ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। অশুভ, অন্যায়, হীনতা ও নীচতার প্রচারদূষণে হয়েছে দূষিত। আমাদের উচিত, ফেসবুকটাকে ভালো কাজে ব্যবহার করা। ফেসবুকের ওয়াল অপশনে যে লেখা পোস্ট হয়, তাতে সাধারণত অন্যদের জন্য তিনটি অপশন গ্রহণের সুযোগ থাকে। এক. লাইক দিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা। দুই. কমেন্ট বা মন্তব্য করা। তিন. লেখাটি শেয়ার করা। পোস্টকৃত লেখাটিও হতে পারে কয়েক ধরণের। মেয়েদের ছবি, অশ্লীল ভিডিও সম্বলিত লেখা। আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস তথা নাস্তিকতার প্রচার সম্বলিত লেখা। ইসলাম ও মুসলমানকে নিয়ে বিদ্রুপ ও কটাক্ষমূলক লেখা। গোনাহের প্রতি উদ্ভুদ্ধকরণ স্ট্যাটাস। এ ধরণের লেখায় লাইক দেওয়া, সমর্থনমূলক কমেন্ট করা ও শেয়ার করা কোনোটাই জায়েয নয়। 

ফেসবুকে বর্তমানে রাজনীতিচর্চা হচ্ছে। সাংগঠনিক প্রোগ্রামের দাওয়াত, দলীয় মতাদর্শের প্রচার-প্রসারণা চলছে সমান্তরালে। এটা দোষের ছিলো না। রাজনীতিচর্চা মানে হচ্ছে- উন্নতরুচিবোধের চর্চা। উন্নত রাষ্ট্র, উন্নত সমাজ ও উন্নত জাতি গঠনের নিরন্তর সাধনায় ক্রিয়মান থাকা। কিন্তু আক্ষেপ! ফেসবুকে যতটা না দলীয়চর্চা হয়, এরচেয়ে ঢের বেশী হয় দোষচর্চা, হিংসাত্মক সমালোচনা। সাধারণ কর্মী- নেতার বিরুদ্ধে, ছোটরা বড়দের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবর্জিত বিষোদগার করছে। পান থেকে চুন খসলেই নিয়ে আসছে ফেসবুকে। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব পাবলিকপ্লেসে নিয়ে এসে অন্যের ইজ্জতে হামলা করছে। ফেসবুকে যতটা দলীয় আদর্শিক কথাবার্তার চর্চা হয়, এরচেয়ে অনেক বেশী চর্চা হয় নিজেদের ভেতরকার কুৎসিত বিষয়-আশয় নিয়ে। ফলে মানুষ আগ্রহী হওয়ার পরিবর্তে রাজনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে ওঠছে। 

একটা কোম্পানীতে অনেকগুলো মানুষ কাজ করে- শ্রম দেয়। তাদের মধ্যেও সমস্যা-সংকট দেখা দেয়। কিন্তু কখনও তা পাবলিকপ্লেসে আসে না। বিমানে যারা এয়ারক্রু হিসেবে কাজ করে, পর্দার আড়ালে তাদের মধ্যেও অনেক ঝগড়া-ঝাটি হয়, পারস্পরিক মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়, কিন্তু তারা তা কখনো যাত্রীদের সামনে প্রকাশ করে না। কিন্তু আমরা সামান্য কিছু হলেই নিয়ে আসি ফেসবুকে। এটা যে একটা পাবলিকপ্লেস, তা আদৌ কেয়ার করি না। ফলে ছোট থেকে বড়, কেউই আমাদের কলমের ক্ষরণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। এ অবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণ না ঘটলে রাজনীতির ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এ ব্যাপারে প্রতিটি সংগঠন কর্মীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহারের শরয়ী-নীতিমালা অনুসরণ বাধ্যতামূলক পালনীয় আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

ফেসবুক যেহেতু মূল থেকেই পারস্পরিক পরিচিতি ও সামাজিক সম্পর্কমূলক বন্ধুত্বের একটি মাধ্যম। এই সম্পর্ক কেবল এক জাতীয় মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা বাঞ্ছনীয়। দুই জাতীয় তথা পুরুষ-নারীর বন্ধুত্ব শরয়ী দৃষ্টিতে বৈধ নয়। তবে হ্যাঁ, একজন নারী আরেকজন নারীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারে, সমস্যা নেই। কেউ হয় তো বলতে পারেন যে, ফেসবুকে গায়রে মাহরাম মেয়েদের ফ্রেন্ডলিস্টে রাখলে সমস্যা কী? এটা তো কেবল পারস্পরিক কথাবার্তা ও লেখালেখির মধ্যে সীমাবদ্ধ। দেখা-সাক্ষাৎ তো হচ্ছে না। এমনটা যারা ভাবেন, তাদের জানা থাকা উচিত, শরীয়তের অনেক নীতিমালা উৎসমূল বিবেচনায় আগাম সতর্কতার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। হাদিসে আছে যে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গী-সাথীদের এমন শিক্ষা দিয়েছিলেন যে, হজ্বের সময় যেখানে মহিলাদের চেহারা খোলা রাখার বিধান রয়েছে, সেখানে তারা চেহারায় পর্দা ঢেলে দিতেন। হাদিসের শব্দগুলো হচ্ছে এরকম:
فاذا جازوا بنا سدلت احدانا جلبابنا من رأسھا علی وجھھا [আবু দাউদ, হাদিস নং-১৮৩৩]

এখানে লক্ষণীয় বিষয় যে, পুরুষ-নারী সবাই যখন ইহরাম বেঁধে ফেলেন, তখন সবাই আবেগআপ্লুত হয়ে আল্লাহর এবাদতে নিমজ্জিত থাকেন। পবিত্র অন্তর নিয়েই কর্মসম্পাদন করেন। এতৎসত্বেয় এ ধরণের সতর্কতার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। 

একজন তরুণীকে ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিস্টে এ্যাড করলে তার প্রোফাইল ছবি, ব্যক্তিগত অনেক তথ্য ইত্যাদি জানার সুযোগ হয়। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো তরুণীর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার কারণ হয়। যা চোখে দেখার মতোই প্রলুব্ধ করে। পরবর্তীতে যা গোনাহের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এজন্য শরীয়তে গোনাহ এবং গোনাহর প্রতি উদ্ধুদ্ধকারী বিষয়গুলো হারাম সাব্যস্ত করেছে।


ফেসবুকের আরেকটা সমস্যা হচ্ছে ‘ফেইক আইডি’র উৎপাত। ফেইক আইডির মাধ্যমে নিজস্ব পরিচয় গোপন রাখা হয়, তাতে কোনো সমস্যা ছিলো না; যদি তা ভালো কাজে ব্যবহার করা হয়। কেউ নিজের পরিচয় গোপন রেখে কল্যাণকর এবং আদর্শিক বিষয়ের প্রচারণা করলে দোষের কিছু ছিলো না। কিন্তু অধিকাংশ ফেইক আইডির নেপথ্যে উদ্দেশ্য থাকে অন্যের সাথে প্রতারণা করা এবং লাগামহীন ও অশ্লীল লেখালেখির অবারিত সুযোগ গ্রহণ করা। যখন-তখন যে কাউকে হেনস্থা করার নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যা কোনো অবস্থাতেই বৈধ হতে পারে না। 

ইসলামি আইনবিশারদগণ লিখেছেন যে, যদি আপনার প্রতিবেশীর ঘর নিঁচু হয়, আর আপনি চাচ্ছেন এর পাশে এমন উঁচু ঘর নির্মাণ করতে, যা প্রতিবেশীর ঘরের পর্দায় বিঘœতা সৃষ্টি করে, তাহলে আপনার জন্য পর্দার ব্যবস্থা ব্যতীত উঁচু ঘর নির্মাণ করা বৈধ নয়। 

অতঃএব, ফেসবুকে যারা ফ্যাক আইডি খোলে অবাধে অশ্লীলতার প্রচার করে, যেনো তেনো লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে অন্যের ধার্মিকতা ও রক্ষণশীলতা ভঙ্গ করে, তাদের জন্য এটা কীভাবে বৈধ হতে পারে? তাই, সরকারের কর্তব্য হচ্ছে- ফেইক আইডিগুলো আইনের আওতায় এনে পরিচালনার সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া। 

আসলে, ফেসবুক-নেশা বড়ই মারাত্মক। যতটা সম্ভব এর থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। এতে যেমন সময়ের অপচয় রয়েছে, তেমনি অর্থের বিপুল অপব্যয় রয়েছে। অধিকন্তু এ অর্থগুলো জমা হচ্ছে ইহুদিদের একাউন্টে। একজন সচেতন মুসলমান হিসেবে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন খুবই জরুরী। আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সকলকে সুমতি দান করুন এবং উম্মাহের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করুন, আমীন


লেখক: উস্তাদ- জামেয়া ক্বাসিমুল উলূম দরগাহ হযরত শাহজালাল রহ. সিলেট।

Post a Comment

0 Comments